লেখাপড়া করার জন্য বিভিন্ন ধরনের মাধ্যম চারপাশে খুঁজে পাওয়া যাবে। আমরা স্কুল, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকের মাধ্যমে বই থেকে, লাইব্রেরিতে গিয়ে লেখাপড়ার বিভিন্ন বিষয় শিখতে পারি। বর্তমানে সব কিছুতেই যেমন পরিবর্তন এসেছে তেমনি পরিবর্তন এসেছে লেখাপড়ার ক্ষেত্রেও। আর এ পরিবর্তন নিয়ে এসেছে ইন্টারনেট। আমাদের পাঠ্যপুস্তকে কোনো একটি বিষয়ে বিপুল পরিমাণ তথ্য দেওয়া সম্ভব নয়। আবার শিক্ষকের পক্ষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সকল বিষয় শেখানো সম্ভব নয়। অথচ ছাত্রছাত্রীদের
জানার কোনো শেষ নেই। আর ইন্টারনেটে রয়েছে বিপুল পরিমাণ তথ্য ভাণ্ডার। বলা হয় ইন্টারনেট সব প্রশ্নের উত্তর জানে। ইন্টারনেটে e-learing ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষাগ্রহণ করা যায়, অনেক লেখকের বই ইন্টারনেটে বিনামূল্যে পাওয়া যায়, বিভিন্ন বিষয়ের উপর ভিডিও পাওয়া যায় বিশেষ বিজ্ঞানের বিভিন্ন experiment-এর উপর। এছাড়া বিভিন্ন স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীরা গণিত, বিজ্ঞান বা সাহিত্যের club তৈরি করে। এ ধরনের club-এ যে কেউ সদস্য হয়ে শারীরিকভাবে উপস্থিত না হয়ে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা লাভ করতে পারে। হাতের মোবাইল ফোনটিতে ইন্টারনেট চালু করে যেকোনো মুহূর্তে তথ্য জেনে যেতে পারে। প্রগতিশীল এ পৃথিবীতে শুধু পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞান পর্যাপ্ত নয়। আর লেখাপড়ার বিভিন্ন বিষয় জানতে প্রযুক্তির উপহার ইন্টারনেটের কোনো বিকল্প নেই। তাই ইন্টারনেটের ব্যবহার ছাড়া বর্তমান যুগে লেখাপড়া কঠিন।
Related Question
View Allআইসিটি অর্থাৎ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আমাদের ক্যারিয়ার পাঠনে নানাভাবে সহায়ক হতে পারে। বর্তমানে যেকোনো ধরনের চাকরি করতে যাওয়া হোক না কেন প্রযুক্তি বিষয়ে জ্ঞান অপরিহার্য।
অন্যভাবে বলা যায় প্রযুক্তি বিষয়ে জ্ঞান ও দক্ষতা চাকরি প্রার্থীর বিশেষ যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আইসিটির সর্বমুখী ব্যবহারের কারণে কোন প্রতিষ্ঠানের কর্মী হিসেবে যোগ দেওয়া কিংবা নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান তৈরি কোনক্ষেত্রেই আইসিটিকে' এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। বিশ্বব্যাপী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ক্যারিয়ার গঠনের বড় একটি ক্ষেত্র। এজন্য কম্পিউটার, ইন্টারনেট, ই-মেইল, কম্পিউটার নিরাপত্তা বিষয়, মোবাইল, প্রোগ্রামিং প্রভৃতি ক্ষেত্রে জ্ঞান থাকলে আইসিটি রিলেটেড বিভিন্ন চাকরি যেমন- কম্পিউটার অপারেটর, প্রোগ্রামার, হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, নেটওয়ার্ক এডমিনিস্ট্রেটর, আইটি বিশেষজ্ঞ, আইটি এক্সিকিউটিভ প্রভৃতি বিষয়ের বা প্রভৃতি পজিশনে চাকরি পাওয়া সহজ হয়। কম্পিউটার সায়েন্স, কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং, অফিস অটোমেশন, সিস্টেম ডিজাইন, রোবোটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এমন হাজারটি ক্যারিয়ারের নাম বলা যায়। এছাড়া বর্তমানে আরও একটি চাকরির নতুন ক্ষেত্র সর্বাধিক পরিচিতি লাভ করেছে তাহলো আউটসোর্সিং বা ফ্রিল্যান্সিং যে ব্যবস্থায় ঘরে বসেই ইন্টারনেটে দেশের বাইরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাজ মূল্যের
বিনিময়ে করে দেওয়া যায়। এক্ষেত্রেও কাজের ব্যাপারে প্রযুক্তি বিষয় এগিয়ে। গ্রাফিক্স ডিজাইন, প্রোগ্রামিং, ওয়েব ডেভেলপিং, ডাটা এন্ট্রি, এক্সেলের হিসাবনিকাশ, প্রেজেন্টেশন তৈরি, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এবং বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার তৈরির কাজ পাওয়া যায়। এসব সাইটে কাজ করে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে নিজের সাফলাময় ক্যারিয়ার গঠন করা যায়। বাংলাদেশে পড়াশোনা করে বিশ্বের নামকরা সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট, গুগল, ফেসবুক প্রভৃতি কোম্পানিতে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আবার ইন্টারনেট প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন অনলাইন' পরীক্ষা দিয়ে প্রযুক্তি বিষয়ে Certificate অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে যাতে পরবর্তীতে তা ক্যারিয়ার গঠনে সহায়ক হতে পারে। শুধু প্রযুক্তি বিষয়েই নয় এর বাইরের যেসব ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্র আছে যেমন- শিক্ষকতা, ব্যাংকিং এসব ক্ষেত্রেও প্রযুক্তি জ্ঞান থাকলে তা ক্যারিয়ার গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। তাই বলা যায় আইসিটি আমাদের ক্যারিয়ার গঠনে বিভিন্নভাবে সহায়ক হতে পারে।
কোনো তথ্য আধেয় বা কনটেন্ট যদি ডিজিটাল উপাত্ত আকারে বিরাজ করে, প্রকাশিত হয় কিংবা প্রেরিত-গৃহীত হয় তাহলে তাকে ডিজিটাল কনটেন্ট বলে।
লিখিত ডিজিটাল কনটেন্ট বলতে বোঝায় যাতে কোনো লিখিত তথ্য ডিজিটাল আকারে বিরাজ করে, প্রকাশিত হয়, প্রেরিত কিংবা গৃহীত হয়। সকল ধরনের লিখিত তথ্য এই ধারার কনটেন্ট। এর মধ্যে রয়েছে নিবন্ধ ব্লগ পোস্ট, পণ্য বা সেবার তালিকা ও বর্ণনা, পণ্যের মূল্যায়ন, ই-বুক সংবাদপত্র, শ্বেতপত্র প্রভৃতি
উদ্দীপকের 'খ' এবং 'ঘ' অংশে রয়েছে যথাক্রমে ছবি এবং ভিডিও ও এনিমেশন। এরা উভয়েই ডিজিটাল কনটেন্টের অংশ। নিচে ডিজিটাল কনটেন্টের এ অংশ দুটির বর্ণনা প্রদান করা হলো-
ছবি: ছবি ডিজিটাল কনটেন্টের ঐ বিভাগ যেখানে ছবি ধারার সকল কনটেন্ট অন্তর্ভুক্ত। ক্যামেরায় তোলা ছবি কিংবা হাতে আঁকা ছবি কিংবা কম্পিউটার সফটওয়্যার যেমন- গ্রাফিক্স সফটওয়্যার ব্যবহার করে তৈরি করা ছবি সবই ছবি ধারার কনটেন্ট। এ ধরনের কনটেন্টের মধ্যে আরও রয়েছে কার্টুন, ফটো, ইনফো গ্রাফিক্স এনিমেটেড ছবি ইত্যাদি। ভিডিও ও এনিমেশন: ভিডিও ও এনিমেশন ধারার কনটেন্ট এ ধরনের ডিজিটাল কনটেন্টের অন্তর্ভুক্ত। এনিমেশন যেন এক ধরনের গ্রাফিক্স। তাই এনিমেশনকে অনেক ক্ষেত্রে ভিডিও বললে ভুল হবে না। আর এ ভিডিও কিংবা এনিমেশন দুটি ক্ষেত্রই ডিজিটাল আকারে তৈরি ও প্রকাশিত হয়। বর্তমানে ভিডিও কনটেন্টের পরিমাণ দিনদিন বাড়ছে। ভিডিও স্ট্রিমিং, এনিমেশন ছবি, ভিডিও শেয়ারিং সাইট সবই ভিডিও ও এনিমেশন কনটেন্টের অন্তর্ভুক্ত।'
উদ্দীপকের 'ক' ও 'গ' অংশে রয়েছে দুই ধরনের ডিজিটাল কনটেন্ট যা হলো যথাক্রমে টেক্সট বা লিখিত কনটেন্ট এবং শব্দ বা অডিও কনটেন্ট। সব ধরনের লিখিত তথ্য টেক্সট ধারার কনটেন্ট। ডিজিটাল মাধ্যমে এখনো লিখিত তথ্যের পরিমাণই বেশি। অন্যদিকে শব্দ বা অডিও আকারের সকল কনটেন্ট এ অডিও কনটেন্টের অন্তর্ভুক্ত। যেকোনো বিষয়ের অডিও ফাইল, ইন্টারনেটে প্রচারিত ব্রডকাস্ট ধারার কনটেন্ট। শব্দ বা টেক্সটকে তখনই ডিজিটাল কনটেন্ট বলা হয়, যখন তা ডিজিটাল উপাত্ত আকারে বিরাজ করে, প্রকাশিত হয় কিংবা প্রেরিত-গৃহীত হয়। তবে সেটি ডিজিটাল বা এনালগ
পদ্ধতিতে সংরক্ষিত হতে পারে। টেক্সটির ক্ষেত্রে হাতে লেখা কোনে। চিঠি ডিজিটাল কনটেন্ট হবে না কিন্তু তাকে যদি ডিজিটালরূপে প্রকাশ করা হয় তবে তা ডিজিটাল কনটেন্ট হবে। তাই যখন টেক্সট কনটেন্টের অন্তর্ভুক্ত বিষয়সমূহ যেমন- নিবন্ধ, ব্লগ পোস্ট, পণ্য বা সেবার তালিকা ও বর্ণনা, পণ্যের মূল্যায়ন, ই-বুক সংবাদপত্র প্রভৃতি ডিজিটাল কনটেন্ট হওয়ার সকল শর্ত পূরণ করে তখন অবশ্যই টেক্সট ধরনের তথ্যকে ডিজিটাল কনটেন্ট বলা যাবে। আবার শব্দকে প্রকাশ করতে ডিজিটাল মাধ্যমের ব্যবহার করা, ডিজিটাল আকারে ফাইলে প্রকাশ করা, ডিজিটাল আকারে বিরাজ করা, প্রেরণ ও গ্রহণ করা প্রভৃতি বৈশিষ্ট্যই বলে দেয় এটি একটি ডিজিটাল কনটেন্ট। ডিজিটাল কনটেন্ট কম্পিউটারের ফাইল আকারে অথবা ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্প্রচারিত হতে পারে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!